সেন্ট্রাল লন্ডনে কোন বৈঠকের খবর আদৌ বিশ্বাসযোগ্য নয়


সেন্ট্রাল লন্ডনে কোন বৈঠকের খবর আদৌ বিশ্বাসযোগ্য নয়

পূর্ব-পশ্চিম বিডি ডট নিউজ পত্রিকায় গত বুধবার ২৬ জুলাই প্রকাশিত একটি রিপোর্টের বরাত দিয়ে কালেরকণ্ঠ পত্রিকায় এবং কয়েকটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টের বরাত দিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় আজ ২৮ জুলাই প্রকাশিত রিপোর্টে “সেন্ট্রাল লন্ডনের একটি হোটেলে একটি বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে একটি গোপন বৈঠকে লন্ডনের জামায়াতের কয়েকজন নেতা বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে উপস্থিত ছিলেন” মর্মে যে অসত্য তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও সাবেক এমপি জনাব হামিদুর রহমান আযাদ আজ ২৮ জুলাই প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “সেন্ট্রাল লন্ডনের একটি হোটেলে একটি বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার সাথে কথিত গোপন বৈঠকে লন্ডনের জামায়াতের কয়েকজন নেতা বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে উপস্থিত থাকার যে তথ্য পূর্ব-পশ্চিম বিডি ডট নিউজসহ কয়েকটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টের বরাত দিয়ে কালেরকণ্ঠ ও বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় আজ ২৮ জুলাই প্রকাশিত হয়েছে তা সর্বৈব মিথ্যা। সেন্ট্রাল লন্ডনে এ ধরনের কোন বৈঠক হয়েছে কিনা তাও আমরা জানি না। এ ধরনের কোন বৈঠকের খবর আদৌ বিশ্বাসযোগ্য নয়। কাজেই ঐ বৈঠকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোন নেতার উপস্থিত থাকার প্রশ্নই আসে না।

উল্লেখিত বৈঠকে জামায়াতের কয়েকজন নেতার উপস্থিত থাকার প্রশ্ন অবান্তর। জামায়াতের কোন নেতার নাম উল্লেখ না করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার হীনউদ্দেশ্যেই এ ভিত্তিহীন মিথ্যা তথ্যটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আমি স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই যে, পূর্ব-পশ্চিম বিডি ডট নিউজ কর্তৃপক্ষ, কালেরকণ্ঠ ও বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা কর্তৃপক্ষ তাদের রিপোর্টের সত্যতা প্রমাণ করতে পারবেন না। যদি তাদের হাতে কোন তথ্য আদৌ থেকে থাকে তাহলে সেন্ট্রাল লন্ডনের একটি হোটেলে কথিত গোপন বৈঠকে জামায়াতের কোন কোন নেতা উপস্থিত ছিলেন তাদের নাম উল্লেখ করুন। আমি আশা করি তারা কোন নেতার নাম উল্লেখ করতে পারবেন না। জামায়াতের কোন নেতার নাম উল্লেখ না করা থেকেই স্পষ্ট বুঝা যায় যে, রিপোর্টটি আদৌ সত্য নয়।

কাজেই জামায়াতে ইসলামীর নোতাদের জড়িয়ে এ ধরনের ভিত্তিহীন মিথ্যা রিপোর্ট প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার জন্য আমি পূর্ব-পশ্চিম বিডি ডট নিউজ কর্তৃপক্ষ, কালেরকণ্ঠ ও বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আমি আশা করছি যে, তারা অত্র প্রতিবাদটি যথাস্থানে ছেপে সৃষ্ট বিভ্রান্তি নিরসন করবেন।”